MOBILE VERSION

popular-recent

Recent Posts
     
 
TranslationTranslation PoetryPoetry ProseProse CinemaCinema
Serialধারাবাহিক
Weekly
Weekly
Visual-art
Art
ReviewReview
Web IssueWeb Issue InterviewInterview Little-MagazineLil Mag DiaryDiary
 
     

recent post

txt-bg




top

top












txt

Pain

আড্ডা, সাবেকী ভাষায় Interview
আমার জীবন থেকে উঠে আসা সুর
এখনো অ্যানাউন্সমেন্ট হয় নাই, আসবে কি না জানা নাই
ব্যথার পূজা হয়নি সমাপন

খন্দকার নাহিদ হোসেন




 
কল্যাণীয়াসু-কে

লিখলাম খনিজে কল্যাণীয়াসু। এক দৈর্ঘ্য মন্ত্র লোভ। কষ ফুটলে কিভাবে বেড়ে ওঠে ঘর - সেইসব। পাতার পিঁপড়া ভুল, দু’হাতের আধো আধো কালি তখন ছায়ায়...ভীষণ একলা করে দিলো। তবু লিখলাম-আড়ি মাখা শীতের উত্তরে চোখেদের নাড়ি, কাজল পর্বত।

যাবে বলে গোছাচ্ছ সকল। ঘূর্ণনের পালে বাঁকা বাঁকা চন্দ্র চূর্ণ। ত্রিপিটক দেরি হয়ে যাওয়া। কয়েক নথের দিন-দরজার আবডাল। সব কাঠ মাপলে অন্যফুলের কাঠ?

পৃথিবীর পর্বতে সারাজন্মেই ধার। এতবার লিখি চোখ...তবু খালি কেটে কেটে যায়। মহাদেশে-মহাদেশে...গোলোকের শীতে... ঝিরঝির আবডাল?

ঐ উত্তরে চোখেদের নাড়ি, কাজল পর্বত



কিতাব  

বৈশাখের ওয়াক্তের মতো দিন
ঝড়ে...
ঝরে ঝরে শুধু ছুঁই
কালো যাদুর পাতাতে লেখা
জীবন কৌটায় থাকে এক
-সোনামুখী সুঁই!
হঠাৎ থমকে যাই, আয়োজনে খুঁজি
পুরাতন কিতাব কি জানে
-
মানুষ কোথায় থাকে
- এ বুকের কোনখানে?

সোয়াদের বাটি ডোবে রেহেলের পাতে। রহমতের সূরায়-হরফে হরফে পবিত্র শব্দের সুর। বোধ গাঢ় হয়। আমরাও গাঢ় হতে হতে তসবি দানার মতো জমে হই ভোর। তবু এক জুম্মাবারে-জামে মসজিদ বর্ডার দেখিয়ে দিলো! আর তুমিও শৈশব ঈদকার্ডে ভরে... কাছে এসে বললে - প্রেম কী?

এখনো ঝলসে যাই - কেঁপে কেঁপে উঠি
মনে ঘাই দিলে কেউ ভীষণ রকম
অথচ পরাস্ত রাত
- কাঁচুমাচু সাল
রাজা-রাণী পুড়ে ছাই
আপন মন্ত্রী-কোটাল!

জিগিরের মতো এক আফসোস। বিশ্বস্ত খাদেমের মতো শুধু তাল দেয়-জীবনকে বলে সিন্নি চাই। চায় সে ভীষণ কফের রাতে সোহাগের তালমিছরি! ভাবি জিন সাধনায় যাবো-কিংবা ইসতেখারা কি জানাবে সেই উড়া উড়া নাম? তিনতলা, নামবিহীন এক মানবীকে মনে রাখবার কৈশোর যদি বুঝতে-যদি! অতঃপর কিতাবেই থাকুক নারীর জন্য লেখা গনগনে উক্তিঃ 

‘যদি ভুলে যাও - যদি যাও
তবে যেন ভেবে নেবো
বৃথা এ পুরুষজন্ম!’  



ক্ল্যাপস

স্নানজুড়ে রমণের ভিড়ে...মফস্বলে সন্ধ্যা নামে
কলতলা খালি হয়, সাবানের চ্যুত ঘ্রাণ কিছুটা হাওয়াতে থাকে
সন্ধ্যা নামে... সন্ধ্যা;

ধরে রাখতে সীমানা লাগে দীর্ঘ গাছ বলেছিল
অথচ যৌবনে কে শোনে সে সব কথা?
বেশুমার ঝড় বড় হয়... ব্যান্ডপার্টি বাজে
জানালার রমা দিদি - বিয়ে ছেনে বিষ খায়
তবু দেখো - বিধানে সঙ্গমই সব...

এক একদিন এমন স্বয়ম্ভূ চিন্তা থিরেথিরে ভাবি  
তোমার কথাই ভাবি, মণ্ডপের দেবী - ঘুরে ঘুরে আসে
ঢোলগুলো রোজ রোজই সন্ত হয়... মফস্বলের মাইক বাজে
আর কোল জুড়ে একা হয় - বিসর্জন রীতি;

ডুবিয়ে দিয়েই সেই যে কলতলাতে গেলে
চ্যুত ঘ্রাণ ছেনে নিলে - সখীদের রতি ঝাড়, আহা...
অনন্তে নামে না সন্ধ্যা?

প্রিয় নন্দী বাড়ি, বিষণ্ণের কলতলা... আসুন, ক্ল্যাপস হোক
ক্ল্যাপস।

No comments:

Post a Comment