MOBILE VERSION

popular-recent

Recent Posts
     
 
TranslationTranslation PoetryPoetry ProseProse CinemaCinema
Serialধারাবাহিক
Weekly
Weekly
Visual-art
Art
ReviewReview
Web IssueWeb Issue InterviewInterview Little-MagazineLil Mag DiaryDiary
 
     

recent post

txt-bg




top

top












txt

Pain

আড্ডা, সাবেকী ভাষায় Interview
আমার জীবন থেকে উঠে আসা সুর
এখনো অ্যানাউন্সমেন্ট হয় নাই, আসবে কি না জানা নাই
ব্যথার পূজা হয়নি সমাপন

হিমেল হাসান বৈরাগী





শিরোনামহীন
(মিথ্যে)
এ কথা ইতিহাসে লিপিবদ্ধ নেই যে,ছাপ্পান্নজন নারীর স্তনে হাত রেখে জিজ্ঞেস করেছিলাম -
"
শেখ মুজিব কী চাইতেন। গণতন্ত্র না সমাজতন্ত্র?"ওরা প্রতিউত্তর করেছিলো-
"
ধ্যাৎ! তুমি মোটেও রোমান্টিক নও।"
(সত্য)
অন্তর্বাসহীন দেবদারু গাছের নিচে রোজ রবিবার
জুম্মা বাড়ির ইমাম সাহেব বাবাকে দেখতে পেলেই বলেন ,
"
মফিজ মিয়া তোমার ছেলেকে তো মসজিদে দেখিনা একদিনো
কিন্তু টানবাজারে প্রতিদিনই দেখি "
বাবা বলেন " আপনার মতো মিথ্যেবাদীর পেছনে সেজদা দেয়ার চেয়ে টানবাবাজার ই ভালো ।
কই আমি তো কোনদিন আমার ছেলেকে দেখিনি "
(সত্য মিথ্যে)
কাগজে খবর বেরুলো "থানচির তিন্দু ও রেমাক্রি ইউনিয়নে খাদ্যাভাব "বিএনপি বলছে এর জন্য "আওয়ামীলীগ সরকার" দায়ী , সরকার বলছে "জামাত শিবির"
কমিউনিস্টরা বলছে , "পুঁজিতন্ত্রের ভয়াল থাবায় আহত হচ্ছে থানচির জনগন "সাবেক ছাত্র ইউনিয়ন নেতা বলছেন "এর জন্য এমেরিকা দায়ী"
এনজিও ,সুশীল সমাজ ত্রাণ সংগ্রহে ব্যাস্ত । মিডিয়া কাভারেজ চলছে দেদারসে ।
ত্রাণ কমিটি ৮০০ পরিবারের তালিকা লিপিবদ্ধ করেছে ।
যাক লুটপাট এবার খারাপ হবে না ।
আমি সমুদ্র গুপ্তের কবিতা পড়ছি -
"
তোমার দুধের বাটিতে আমি বেড়ালের সাদা লোম মিশিয়ে দেবো
চোখে ফুঁক দেবো, ঢুকিয়ে দেবো ভুরু, পায়ের তালুতে গুল লাগিয়ে পিঁপড়া লেলিয়ে দেবো..."
(মিথ্যে সত্য)
মাথা গুল গুল করছে , ভো ভো করছে
ভন ভন করছে চারপাশ
হাতের আঙ্গুল থেকে বেরিয়ে আসছে রাক্ষসগুলো - এরা কারা ? থানচির ক্ষুধার্ত লোকজন ? আমাকে গ্রাস করছে , হাড় মাংশ ছিবলে খাচ্ছে
আবার,আমারই ভেতর ঘুমিয়ে পড়ছে
আর...আ প না রা, হ্যাঁ আপনারা
দ্বিধান্বিত গন্ডমূর্খ মাতাল - পোয়েট্রিও বুঝেন না পোভার্টিও বুঝেন না।


মৌরী ফুল ফোটে
তোমার স্তনের কাছে; ম্লান হয়ে আসে আমার প্রতিভা
শব্দের রন্ধ্র থেকে উঠে আসে নৈ:শব্দের গ্রীবা।
মধুময় সোনালী নাভীর নিচে -যেখানে রেখেছো জল, নীল রক্তপাত। 
গাঢ় জঙ্গলে ঘেরা ক্ষীরের পিরিচে
চুমুক দিলেই শুনি গলা কাটা কোকিলের
গান।
সচ্ছল নদীর ভেতর এঞ্জিনের নৌকা চালাই,করি স্নান
শুদ্ধ হই, সুসজ্জিত হই । স্বরলিপি লিখে
রাখি ঠোঁটে
এইভাবে তোমার ভেতরে প্রিয়
কাঞ্চনজঙ্ঘায়, সহস্র মৌরী ফুল ফোটে।


তুমুল সন্ন্যাসী হতে হতে
তুমুল সন্ন্যাসী হতে হতে 
সংসারহীন স্বতন্ত্র মশারীর ভেতর বাঁধা পড়ে আছি
চালাক-চতুর রমণীরা নি:সঙ্কোচে চিবিয়ে খেয়েছে আমার দূর্বলতা
পরম অনাদরে; শকুনী যেভাবে খায় তিতিরের হাড়
কাকে দিয়ে লিখাবো আমার নিরেট শূন্যতা ভরা করুণ ইতিহাস?
ধূ ধূ অন্ধকারে বোবা হয়ে আসে দুই চোখ
ঘুঘুদের মতো,তীব্র নি:সঙ্গতাবোধের নৈকট্যে এসে 
দুহাতে আলিঙ্গন করি
নৈরাশ্যের সূর্যোদয়
আমি কি এমন-ই থাকবো চিরকাল?তবে কি এইভাবে যতিচিহ্নহীন কেটে যাবে রবীন্দ্রোত্তর ব্যথিত জীবন?অবুঝ শিশুর মতো মাঝে মাঝে মনে হয়
না থাকার মতো করে থেকে যাই কিছুটা সময়।

No comments:

Post a Comment