MOBILE VERSION

popular-recent

Recent Posts
     
 
TranslationTranslation PoetryPoetry ProseProse CinemaCinema
Serialধারাবাহিক
Weekly
Weekly
Visual-art
Art
ReviewReview
Web IssueWeb Issue InterviewInterview Little-MagazineLil Mag DiaryDiary
 
     

recent post

txt-bg




top

top












txt

Pain

আড্ডা, সাবেকী ভাষায় Interview
আমার জীবন থেকে উঠে আসা সুর
এখনো অ্যানাউন্সমেন্ট হয় নাই, আসবে কি না জানা নাই
ব্যথার পূজা হয়নি সমাপন

ডiary : লিটল কথাঃ অভীক দত্ত




|

DIARY
AUTHOR
|

২০০৫ সাল। ময়দানে তখন বইমেলা হত। যেটাকে বইমেলা বলেই মনে হত। ধুলো বালি, বালি ধুলো। আমার কাছে বইমেলা মোটামুটি একজন ধর্মপ্রাণ লোকের কাছে কুম্ভমেলা কিংবা মক্কা যাবার মত ব্যাপার। তার আগে অশোকনগর থেকে খুব কমই বইমেলা যেতে পারতাম। ইচ্ছা থাকলেও যাওয়া যত না। কলেজে সেকেন্ড ইয়ারে পড়ি। রঙ্গিত, ঋতায়ন, পিনাকী, সুদীপ্তদের সাথে ক্লাস কেটে চললাম বইমেলায়। সে যে কি মজা। আর সেবারই কারুকথায় আমার একটা লেখা বেরোয়। বইমেলায় আমার লেখা বেরিয়েছে সে একেবারে অভাবনীয় ব্যাপার ছিল আমার কাছে। যতদূর মনে পড়ে একটা মুক্তগদ্য ছিল।
বইমেলায় এর আগে তাড়াহুড়ো করে যেতাম, আনন্দ, কিশোরভারতী আর বাংলাদেশ প্যাভিলিয়ন ঘুরে বাড়ি। তখন ভাবতাম আনন্দ মানেই সব কিছু, ওরকম গরু গাধার মত লাইনে দাঁড়িয়ে কেন যে বই কিনতাম! বিশেষত তাদের মার্কেটিং যেরকম আছে ওই সব বই পাড়ার দোকানেও পাওয়া যেত। তখন বুঝিনি বইমেলা হল এমন একটা জায়গা যেখানে সারাবছর নানা জায়গা খুঁজে যে সব বই পাওয়া যায় না, সেখানে যায়।  বাংলাদেশ প্যাভিলিয়নটা অবশ্য ভাল ব্যাপার ছিল, সারাবছর টাকা জমাতাম হুমায়ুন আহমেদের বই কিনব বলে। ভীষণ দাম বইগুলোর। 
তা লিটল ম্যাগ প্যাভিলিয়নে ঢুকেছি আমরা, রঙ্গিত যথারীতি আমাদের ছাড়িয়ে নাচতে নাচতে এগিয়ে চলেছে। হঠাৎ এক টিভি চ্যানেলের মেয়েকে পেয়ে বক্তৃতা দেওয়া শুরু করেছে হাত পা নেড়ে। আমরা সব চাপ টাপ খেয়ে দাঁড়িয়ে আছি। লিটল ম্যাগ কি, লিটল ম্যাগ কি বিপ্লব করতে চায় এসব বলা শুরু করেছে। আর সত্যি বলতে কি আমার তখন লিটল ম্যাগ সম্পর্কে ভীষণ কম কনসেপ্ট ছিল। তবে পড়ার বাইরের বইই প্রচুর পড়তাম বলে সে ব্যাপারে ইন্টারেস্ট বাড়তে বেশি সময় লাগে নি। রঙ্গিতের ওই বক্তৃতা শুনতে শুনতে লিটল ম্যাগের প্রতি এক অদ্ভুত ভালবাসার জন্ম হল। 
সেই বইমেলার ধুলো, লিটল ম্যাগ প্যাভিলিয়নের একটা অন্যরকম ব্যাপার, কেমন যেন নেশা ধরিয়ে দিয়েছিল আমার মধ্যে। এই যে ট্যাঁকের পয়সা খরচ করে যে পাগলগুলি এসব করে, কেন করে? এই টাকাগুলো বাঁচলে তো আমরা আরও ভালোভাবে বাঁচতে পারতাম। এই উত্তরগুলি শুধুমাত্র আমরাই জানি, যারা ম্যাগাজিনগুলির পিছনে পাগলের মত থাকি, খাঁটি, ঘণ্টার পর ঘণ্টা প্রুফ দেখি, বিক্রি না হওয়া বইগুলি নিয়ে বইমেলার শেষ দিন পুশ সেল করতে বেরিয়ে পড়ি, পথচলতি লোকের হাতে কাঁচুমাচু মুখে “প্লিজ একটু দেখুন” করি মানসম্মান ভুলে গিয়ে, ব্যবসা বাণিজ্যটা যেখানে মুখ্য নয়, টাকা পাওয়াটা যেখানে মুখ্য না, এই স্পিরিটটার মূল্য যেখানে কিছু কিছু লোকের কাছে এক টাকাও না, কিন্তু কি আছে এর পিছনে? 
লিটল ম্যাগ আসলে একটা অদ্ভুতুড়ে ভালবাসার নাম, যেটা যারা করে তারাই জানে...।
 |


|

No comments:

Post a Comment