MOBILE VERSION

popular-recent

Recent Posts
     
 
TranslationTranslation PoetryPoetry ProseProse CinemaCinema
Serialধারাবাহিক
Weekly
Weekly
Visual-art
Art
ReviewReview
Web IssueWeb Issue InterviewInterview Little-MagazineLil Mag DiaryDiary
 
     

recent post

txt-bg




top

top












txt

Pain

আড্ডা, সাবেকী ভাষায় Interview
আমার জীবন থেকে উঠে আসা সুর
এখনো অ্যানাউন্সমেন্ট হয় নাই, আসবে কি না জানা নাই
ব্যথার পূজা হয়নি সমাপন

Suchitra Bhattacharya - Interview


আলাপ

একজন লেখিকা হিসেবে জীবনকে উপভোগ করি সবচেয়ে বেশী...আমি সুচিত্রা ভট্টাচার্য্য।

“সুনীলদা বিশ্বাস করেননি যে সেটা কোনো মেয়ের লেখা হতে পারে”




একেবারে শুরুর থেকে বলতে গেলে বলতে হয় আমার জীবনে লেখার তিনটে অধ্যায় বা ফেজ আছে। প্রথম অধ্যায়, আমার ছোটবেলার লেখা; যেটা অনেকটাই খেলার ছলেএরপর যখন ক্লাস ফাইভে বা সিক্সে পড়ি তখন একটা কবিতা লিখে ফেলি। যদিও সেগুলি ছিল বেশ কাঁচা, তবুও বাবা পড়ে ভীষণ খুশি হন এবং দুটি খাতা কিনে দেন। একটা গল্প লেখার খাতা আরেকটা কবিতা লেখারসে সময় লেখাটা ছিল নিজের ইচ্ছামত। আর শ্রোতা ছিল আমার স্কুল বাসের বন্ধুরা আর আমার ভাই বোনেরা। যদিও তাদের ডেকে ডেকে শোনাতে হত। কিছু কিছু জায়গায় স্কুল ম্যাগাজিন বা কোথাও ছাপা হলে তাও পড়াতে হত ঘাড় ধরে জোর করে। আমার হাতে লেখার খাতা দেখে দূরে পালাত ভাইবোনেরাকারণ তাদের মতে আমি নাকি ভীষণ দুঃখের গল্প লিখি আর সেগুলো পড়লে তাদের ‘ভুরু’ ব্যথা করে! এই ছিল আমার ছোটবেলার লেখালিখি তখন থেকেই আমি বেশ ভালো নাচতে পারতাম, তখন আমার ৪-৫ বছর বয়স, যখন কাবুলিওয়ালা ছবিতে আমি মিনির বন্ধু হিসেবে ‘খর বায়ু বয় বেগে’ নাচে অংশগ্রহণ করি। একটা সময় নাচও শেখাতাম ছোটদের। হায়ার সেকন্ডারী পাশ করার সঙ্গে সঙ্গেই আমার বিয়ে হয়ে যায়। শুরু হয় অন্য এক জীবন। বিয়ের পরের পড়াশুনা চাকরী-বাকরীর জীবন। আমি প্রথমে কেমিস্ট্রী অনার্স নিয়ে লেডি ব্রাবোর্ণ কলেজে ভর্তি হই। কিন্তু যখন ফার্স্ট ইয়ার থেকে সেকেন্ড ইয়ারে উঠি, তখন আমার মেয়ে হওয়ায় সেটা কন্টিনিউ করতে পারলাম না। এর কারণ রেগুলার প্রাক্টিকাল ক্লাস করা অসুবিধা ছিল। তখন চিন্তা করে দেখলাম সবচেয়ে কম পড়াশুনা করে কোন বিষয়ে অনার্স করা যায়। তো প্রথমেই বাংলার কথা আমার মাথায় এল। কারণ আমার মনে হল এটা তো মোটামুটি আমার দখলে আছে। ছোটবেলা থেকে বঙ্কিমচন্দ্র, রবীন্দ্রনাথ, শরৎচন্দ্র পড়ে বড় হয়েছি। এমনকী পড়ার বইয়ের ফাঁকেও লুকোনো থাকত এগুলো। সুতরাং একটা বছর নষ্ট করে হলেও আমি বাংলা অনার্স নিয়ে পড়তে শুরু করলাম। আমার এইট্‌থ্‌ পেপার ছিল বঙ্কিমচন্দ্র। আমি দেখলাম যে তাঁর সব উপন্যাসই তো আমার পড়া, সুতরাং আমি যদি খুব বেশী ক্লাস নাও করতে পারি তাও মোটামুটি উত্তর দিতে পারব। এইভাবেই আমার পড়াশুনা, টুক্‌টাক টিউশনি, চাকরি, মেয়েকে বড় করে তোলা- একসাথেই চলতে থাকে। আমার গ্রাজুয়েশন কমপ্লিট হওয়ার আগেই আমি চাকরিতে ঢুকে যাই। টেলিফোন বোর্ড চালানো বা টাইপিং-এর মতো বেশ অনেক কিছুই আমি জানতাম  আসলে এই সময়টা ছিল আমার জীবনের কঠিনতম সময়। সাধারণত যে সময়টা মানুষ নিজের জীবন যৌবন উপভোগ করে সবচেয়ে বেশী সেই সময়টা আমায় অনেক স্ট্রাগ্‌ল্‌ করতে হয়েছে। কাঁটার উপর দিয়ে হাঁটতে হয়েছে। প্রচুর রক্তাক্ত হতে হয়েছে। প্রসঙ্গত বলি আমি একটি অত্যন্ত অবস্থাপন্ন, রক্ষণশীল পরিবারের মেয়ে। কিন্তু নিজে নিজের পছন্দমত বিয়ে করায়, নিজের লড়াইটা অনেকটা নিজেকে একাই লড়তে হয়েছে। এছাড়া ছোটবেলা থেকেই আমার একটা জেদ ছিল যে যতদিন বাবার ছত্রছায়ায় থাকতে হয় ততদিন আলাদা কিন্তু তারপর থেকে আমি আমার অন্নর সংস্থান করব নিজেই। এ সময় বেশ কয়েকটা বেসরকারী সংস্থায় রিসেপ্‌সনিস্ট, টেলিফোন অপারেটর (যেহেতু গ্র্যাজুয়েশনের আগে) হিসেবে কাজ করি, সেখান থেকে একজায়গায় জুনিয়র অফিসার ট্রেনি হিসেবে জয়েন করি। সেখানে করতে করতেই স্টেট ইলেক্‌ট্রিসিটি বোর্ডে (যেটি একটি আধা সরকারী সংস্থা) চাকরির পরীক্ষা দিয়ে, সেখানে পেয়ে যাই। এই সময় আমি মোট তিনটে সরকারী চাকরী পেয়েছিলাম। তারপর ওখানে দু-তিন বছর চাকরি করতে করতেই WBCS পরীক্ষায় বসি এবং ক্রেতা সুরক্ষা দপ্তরের পুরোপুরি সরকারী চাকরী পেয়ে যাই। এ সবই আমার ১৮ থেকে ২৫-২৬ বছর বয়সের মধ্যে।
এই সময়টা আমার লেখা পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। এমনকি আমি যে লিখতে পারি সেটাই ভুলে গিয়েছিলাম তবে অফিসে নাটকে অভিনয় করেছি, নাচ করেছি, প্রোগ্রাম করেছি অনেকদিন অবধি। এমনকি মেয়ে হওয়ার পরেও ‘শ্যামা’ করেছি। যার রিহার্সাল শুনে শুনে মেয়েরও মুখস্থ হয়ে গেছিল। যদিও আমার মেয়েকে যে পুরোপুরি আমি মানুষ করেছি তা নয়। বরং সে অনেকটাই আমার বাবা-মার কাছ মানুষ হয়েছে, বড় হয়ে উঠেছে। কারণ পড়াশুনা, চাকরি, সংসার সমস্ত সামলে অত ছোট মেয়ের দেখাশুনা করা বেশ অসুবিধাই হত।  
       এরও এক দেড় বছর পড়ে আবার আমার লেখায় ফেরা। এই লেখায় ফিরে আসার ঘটনার সাথে আমার ‘হেমন্তের পাখী’র অদিতির অনেকটা মিল আছে। যদিও অদিতি ফিরেছিল তার পঞ্চাশ বছর বয়সে আর আমি সাতাশে আমার গ্র্যাজুয়েশন পরীক্ষার সময় একদিন হঠাৎ লাইব্রেরীতে দেখা হয়ে গেল আমার মামার এক বন্ধুর সাথে। আমি যখন ছোট ছিলাম উনি আমাদের বাড়িতে আসতেন সেই সময়ই আমাকে লিখতে উৎসাহিত করতেনতিনি জানতে চাইলেন আমি এখনও লিখছি বা নাচ গান করছি কিনা। জানালাম, না, লেখা বা নাচ-গান কোনটাই করছি না শুধু সরকারী চাকরি আর সংসার এগুলিই খুব ভালো করে করছি, বাকী সবই প্রায় ছেড়ে দিয়েছি। লেখা ছেড়ে দিয়েছি শুনে তিনি বেশ একটু রেগে গেলেনবললেন, তোমার লেখার হাতটা তো ভালো ছিল, তাও লিখছ না কেন? তাকে যতই বারবার বলে গেছি ছোটবেলায় খেলার ছলে লিখেছি ক্লাশ ইলেভেন অবধি সেসব মানলে তো! ওনার অনেক অনুরোধ সত্ত্বেও প্রথমে গল্প লিখতে পারিনি। তার আরও বেশ কিছুদিন পরে ওনার জোরাজুরিতেই অনেক চেষ্টা চরিত্রে একটা গল্প লিখে ফেলি।  উনি তো ওই গল্পটা পড়ে এতই খুশি হলেন যে পারলে প্রায় নোবেল পুরস্কার দেন গল্পটা পোস্টে পাঠিয়ে দিলেন এক পত্রিকাকে; মজার কথা, বেরিয়েও গেল গল্পটা।
ছাপার অক্ষরে নিজের নামটা দেখে খুব আনন্দ হয়েছিল! তারপর আবার একটা গল্প লিখে ফেললাম আর এভাবেই আবার আমার লেখা শুরু হল। এটা হল আমার জীবনে লেখার দ্বিতীয় দশা বা অধ্যায়। যদিও এ সময় আমি আমার লেখা নিয়ে খুব একটা সিরিয়াস ছিলাম তা নয়। মাসে একটা দুটো করে গল্প লিখছি, পাঠাচ্ছি বিভিন্ন জায়গায়। কোথাও মনোনীত হচ্ছে আবার কোথাও হচ্ছে না। যুগান্তর, আনন্দবাজার, সানন্দা, বর্তমান, দেশ বিভিন্ন পত্রিকায় গল্প বেরোতে লাগল। আবার কিছু ফিরেও এসেছে। কিন্তু আমি সেটা নিয়ে খুব একটা গা করতাম না। এই সময় আমাদের একটা সাহিত্য সভা হত। সেখানে উপস্থিত থাকতেন রাধানাথ গুপ্ত, অমল মিত্র, শ্যামল মজুমদার, তপন বন্দ্যোপাধ্যায়, দীপঙ্কর দাশ প্রমুখ ব্যক্তিত্বরা। এই রাধানাথ আনন্দবাজার রবিবাসরীয়’তে কাজ করতেন
  এই সময় ‘ঋতুপত্রগাঙ্গেয়’তে আমার লেখা একটি গল্প পড়ে সুনীলদা (সুনীল গাঙ্গুলী) রাধানাথকে প্রশ্ন করেছিলেন যে তাদের মধ্যে কার ছদ্মনাম ‘সুচিত্রা’, রাধানাথ তার উত্তরে যখন জানালেন সুচিত্রা সুচিত্রাই, কারো ছদ্মনাম নয়, তখনও সুনীলদা বিশ্বাস করেননি যে সেটা কোনো মেয়ের লেখা হতে পারে পরবর্তীকালে সুনীলদার সাথে দেখা হওয়ার পর এটা নিয়ে সুনীলদার সাথে বেশ ঝগড়াও করি আমি, কেন লেখাকে এরকম আলাদা করা হয়,তা নিয়ে। তখনও আমি যে লিখব বা লেখাটাকেই পেশা করব, এটা যে আমার জন্য জরুরি সেরকম কোনো চিন্তা-ভাবনা ছিল না।
  ’৮৮ সাল নাগাদ ‘ঋতুপত্রগাঙ্গেয়’-তে আমার একটা উপন্যাস বেরোয়, যার নাম ‘আমি রাইকিশোরি’’৯২ সালে আনন্দবাজারের পূজাসংখ্যায় ‘কাঁচের দেওয়াল’ উপন্যাসটি প্রকাশিত হয় এবং প্রচুর সংখ্যক পাঠক পাঠিকার এক অভূতপুর্ব সাড়া পাই। হঠাৎ করেই পৌঁছে যাই অনেক পাঠকের কাছে। এর আগে যদিও সরকারী অনুদানে একটা ছোট উপন্যাস বেরিয়েছিল, যেটা হারিয়েও গেছে এখন।
  তার আগে ‘দেশ’-এ ‘বাদামী জরুল’ নামে একটা গল্প বেরিয়েছিলওটার সূত্রেও অনেক পরিচিতি পাই। আবুল বাশারের সাথে পরিচয় হয় এই লেখা দিয়ে
  এইভাবে পরিচিতি বাড়তে লাগল। যদিও লেখক জগতে পরিচিতিটা ছিল,কিন্তু পাঠক জগতে হল ‘কাঁচের দেওয়াল’ দিয়ে।  এরপর আমার মনে হল আমারও তো কিছু বলার আছে! এই সমাজ-সমাজব্যবস্থা, চারপাশের মানুষ, মেয়েদের যন্ত্রণা, মানুষের সাথে মানুষের সম্পর্ক, আধুনিকতা, আমার নিজস্ব কিছু অনুভূতি, অভিজ্ঞতা এবং সর্বোপরি নিজের জীবনদর্শন এইসব মিলিয়ে আমি আমার পাঠক-পাঠিকার সাথে তো যোগসূত্র গড়তে পারি। সাহিত্য নিয়েই তো আমি থাকতে পারি। ঠিক তখন থেকেই লেখাটা আমার মাথা দখল করে নিল।
পাঠক পাঠিকার চাহিদাও বাড়তে থাকল ফলে লেখার পেছনে অনেক বেশী সময় ব্যয় করার প্রয়োজন হল। যেটা চাকরি করে সম্ভব ছিল না। খুব চাপ পড়ে যাচ্ছিল। ফলে ২০০৪ সালে আমি চাকরি থেকে স্বেচ্ছা অবসর নিই এবং সেই সময় থেকে আজ অবধি প্রায় ১৭-১৮ বছর ধরে চলছে... বলা যায়, আমার লেখার তৃ্তীয় অধ্যায়। আমার লেখা ঠিক কতটা পদবাচ্য হয় আমি জানিনা, সেগুলোকে সমালোচকরা কিভাবে দেখেন আমি তাও জানিনা তবে এই অধ্যায়টাতে এসে আমি এটুকু বলতে পারি, যে আমি আমার লেখায়  কখনো ফাঁকি দিইনিআমি আমার একশ শতাংশ দিয়েই লেখার চেষ্টা করি। আমার চিন্তন, মনন, আমার চিন্তা-ভাবনা, কায়িক পরিশ্রম সব দিয়ে আমার একটা উপন্যাস, একটা গল্প লিখি। তাই লেখিকা হিসাবেই জীবনকে উপভোগ করি সবচেয়ে বেশি।  একটা বড় লেখার ইচ্ছা আছে আজ প্রায় ১০ বছর ধরে,'৯৭ সালের 'কাছের মানুষ'এর পর থেকেই। কিন্তু কোনভাবেই যেন ঠিক সময় করে উঠতে পারছি না। আসলে বলা চলে আমি একটু ‘স্লো রাইটার’ আমার গল্প তাড়াতাড়ি পড়ে ফেলা যায়, যেন দুরন্ত ঘোড়ার মত ছোটে। কিন্তু সেটা লিখতে বেশ সময় লেগে যায়। আমি হাতেই লিখি এখনও। বিভিন্ন পত্রিকা-পূজাবার্ষিকীতে গল্প-উপন্যাস দিতে হচ্ছে বহু সংখ্যায়, পাঠক-পাঠিকার চাহিদার জন্যেতাই সময় বার করে উঠতে পারছি না। আমি যখন লিখি তখন সেই চরিত্রগুলির মধ্যে পুরোপুরি মিশে যাই, একাত্ব করে ফেলি নিজেকে।
অনেকে আছেন যারা চরিত্রগুলো দেখেন দূর থেকে আর লেখেন, আমি সেটি পারিনা। আমি চরিত্র হয়েই লিখি হয়তো এটাই আমার দুর্বলতা। যখন আমার লেখার চাপ থাকে তখন একটানা ১০-১২ ঘন্টাও লিখি। 
আমার গল্প-উপন্যাসগুলি নিয়ে চলচ্চিত্র ও সাম্প্রতিক ধারাবাহিকও তৈরী হচ্ছেকিন্তু চিত্রনাট্যের প্রয়োজনে গল্পে যে পরিবর্তন আনা হয়, তাতে দু;খ লাগে খুবই, বেশ কষ্ট পাই। এ যেন অনেকটা মেয়ে বিয়ে দিয়ে শ্বশুরবাড়ি পাঠিয়ে দেওয়ার মতই ব্যাপার। খারাপ লাগলেও শ্বশুরবাড়ি গিয়ে সবসময় বলা যায়না।
অগ্রজ সাহিত্যিকদের প্রায় সব লেখাই খুব ভালোবাসি, তার মধ্যে রবীন্দ্রনাথ তো মাথায় রয়েছেনই। শরৎচন্দ্রের “অভয়া” আমার ভীষণ প্রিয় একটা চরিত্র। এছাড়া আশাপুর্ণা দেবী ও ইদানীং কালের বিমল কর, রমাপদ চৌধুরি, শীর্ষেন্দু দা, সুনীল দা, বানী দি, মহাশ্বেতা দি’র প্রায় সবার লেখাই আমার খুব ভালো লাগে!
এখন যেহেতু নিজেই নিজের অধীনে চাকরি করি, তাই নিজেকে নিজে ইচ্ছেমত ছুটি দিয়ে দেই। বলি, চল আজ শরীরটা ভালো লাগছে না, আজ তোর ছুটি বা চল বেরিয়ে আসি কোথাও থেকে। আমি প্রকৃতি ভীষণ ভালোবাসি, সে পাহাড় হোক বা সমুদ্র, নদী কিমবা জঙ্গল, সবই পছন্দের জায়গা।
আমি মাটিতে পা রেখে চলতে ভালোবাসি। আমি জানি একদিকে আমার সংসারে আমার বর, আমার মেয়ে-জামাই, নাতিনাতনী, আমার মা, ভাইবোন, অন্যদিকে লেখার জগতে আমার পাঠক-পাঠিকারা সকলেই আমাকে ভীষণ ভালোবাসে। আর সর্বত্রই আমার পায়ের তলায় মাটি খুব শক্ত। কেননা আমি কখনও মাটি থেকে ওপরে হাঁটিনি বা হঠাৎ করে ফানুস হয়ে যাইনি তাই আমার পতনের ভয়ও নেই। আমি এখনও নিজেকে সেভাবে কোনো স্বনামধন্য বলে মনে করিনা তাই কোনোকিছু হারানোর ভয়ও পাইনা। কারণ আমি জানি, আমার পায়ের তলায় মাটি আছে।


সাক্ষাৎকার – শুভনীতা, তন্ময়
অনুলিখন – শুভনীতা

No comments:

Post a Comment